শিরোনাম :
নবীনগর বাজারের উপর দিয়ে রাস্তা নির্মাণ না করার দাবিতে ও স্মারকলিপি প্রদান নবীনগরে ঐতিহ্যবাহী গ্রামীণ লাঠি খেলা দেখতে দর্শকদের উপচেপড়া ভিড়। নবীনগর উপজেলা শাখা সাংবাদিক কল্যাণ পরিষদ (বাসকপ) আংশিক কমিটি ঘোষণা ব্রাহ্মণবাড়িয়া সাংবাদিক সমিতির সভাপতি জুয়েল, সাধারণ সম্পাদক মাসুম নবীনগর সাংবাদিক সমিতির আত্মপ্রকাশ, সভাপতি কাউছার, সম্পাদক মেহেদী নবীনগরে নৌকার প্রার্থী ফয়জুর রহমান বাদলকে নির্বাচিত করার লক্ষ্যে পরামর্শ সভা অনুষ্ঠিত নবীনগরে যথাযথ মর্যাদায় বিশ্ব শিক্ষক দিবস উদযাপন। নবীনগরে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্থ ব্যবসায়ীকে আর্থিক সহায়তা প্রদান। সূর্যতরুন সমাজ কল্যাণ সংস্থা’র গুণীজন ও কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা গুণীদের কদর না করলে কখনোই সমাজে গুণীরা তৈরি হয় না:ব্যারিস্টার মোস্তাকিম রাজা চৌধুরী বর্তমান সময়ে লেখাপড়ার কোনো বিকল্প নাই:সাংসদ এবাদুল করিম বুলবুল।
শনিবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ০৫:১৮ পূর্বাহ্ন

নবীনগরে তীব্র গরমে বেড়েছে তালের শাঁস বিক্রি-

প্রতিনিধির নাম / ৯৯৬ বার
আপডেট : মঙ্গলবার, ৬ জুন, ২০২৩

কাউছার আলম, নিজস্ব প্রতিবেদক।

তীব্র তাপদাহে অতিষ্ঠ মানুষ। কোথায় স্বস্তি পাবে তা নিয়েই যত চিন্তা। গরমে অস্থির পথচারীদের এক মুহূর্তের জন্য হলেও স্বস্তি এনে দিচ্ছে কচি তালের শাঁস। গরম বাড়ার সাথে সাথে বেড়ে গেছে তালের শাঁসের চাহিদা। চাহিদা বাড়ায় বিক্রিটাও হয়ে উঠেছে জমজমাট। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার বিভিন্ন হাট বাজারসহ বিভিন্ন অলি-গলিতেও এখন বিক্রি হচ্ছে তালের শাঁস। সাইজ ভেদে প্রতিটির তালের দাম ১৫ থেকে ৩০ টাকা। তীব্র গরমে পানিশূন্যতায় ভোগা মানুষ মুহূর্তের স্বস্তি পেতে পথের ধারে দাড়িয়েই খাচ্ছে এই তালের শাঁস।

মঙ্গলবার সরেজমিনে নবীনগর উপজেলার বাঙ্গরা বাজারের রাস্তার দুই পাশ ও ফুটপাত ঘুরে দেখা গিয়েছে বেশ কয়েকজন মৌসুমী তাল ব্যবসায়ী কচি তালের শাঁস বিক্রি করতে। পাইকারির পাশাপাশি বিক্রি চলছে খুচরাও।

বাঙ্গরা বাজারের কয়েকজন তাল বিক্রেতা জানান, কুমিল্লার চান্দিনা সহ দেশের বিভিন্ন স্থানের গাছ থেকে কচি তাল সংগ্রহ করেন তারা বাজারে বিক্রি করতে নিয়ে আসেন। তালের দাম বেশী হওয়ায় পরিবহণ ভাড়া বেশি থাকায় এবার তালের দামটা একটু বেশি। আকারভেদে প্রতি হাজার তালের দাম ১০ হাজার থেকে ১৫ হাজার টাকা পড়ে বলে জানান তারা।

বাঙ্গরা বাজারের খুচরা তাল বিক্রেতা মোঃ ফয়সাল বলেন, গরম বেড়ে যাওয়ায় বাজারে এখন তালের শাঁসের ভালো চাহিদা রয়েছে। প্রতি পিচ তালের দাম ১৫ থেকে ৩০ টাকায় বিক্রি করছি। বিক্রিও বেশ ভালো। প্রতিদিন তার দোকানে প্রায় ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকার তাল বিক্রি করতে পারেন। তবে এবছর বেশি দামে কেনার কারণে লাভ কম হচ্ছে। তিনি জানান, তালগাছ থেকে ফল কেটে আনা একটি কষ্টকর বিষয়। কাটার জন্য অতিরিক্ত পারিশ্রমিক দিয়ে কেটে আনতে হয়। একটি গাছে ২৫০ থেকে ৩০০ ফল পাওয়া যায়। গাছ মালিককে শত হিসেবে ৩০০ থেকে ৬০০ টাকা দিয়ে কিনেন পাইকারিরা। আমরা তাদের কাছে থেকে কিনে নেই, সে জন্য একটু দাম বেশী পড়ে, গাছ থেকে কিনলে কম পড়তো আর লাভও বেশী হত। তিনি আরো বলেন, তাল কাটার শ্রমিক ও গ্রাম থেকে বাজারে আনা পর্যন্ত পরিবহন খরচ নিয়ে পিচ প্রতি তালে ১০ থেকে ১২ টাকা খরচ হয়। গ্রামাঞ্চলে দিন দিন তাল গাছের সংখ্যা কমে যাচ্ছে।

তাল কিনতে আসা ফারুক আহম্মেদ নামে এক ক্রেতা জানান, বাজারে অন্যান্য জিনিসের যে দাম তার থেকে তালের দাম অনেক কম। এছাড়া বাচ্চারও তাল পছন্দ করে। তালে কোনো ভেজাল বা ফরমালিন নেই। একদম প্রাকৃতিক একটি খাবার পানীয়। তাই এই তীব্র গরমে একটু স্বস্তি পেতে তাল খাচ্ছেন বলে জানান তিনি।

Facebook Comments Box


এ জাতীয় আরো সংবাদ