শিরোনাম :
নবীনগর বাজারের উপর দিয়ে রাস্তা নির্মাণ না করার দাবিতে ও স্মারকলিপি প্রদান নবীনগরে ঐতিহ্যবাহী গ্রামীণ লাঠি খেলা দেখতে দর্শকদের উপচেপড়া ভিড়। নবীনগর উপজেলা শাখা সাংবাদিক কল্যাণ পরিষদ (বাসকপ) আংশিক কমিটি ঘোষণা ব্রাহ্মণবাড়িয়া সাংবাদিক সমিতির সভাপতি জুয়েল, সাধারণ সম্পাদক মাসুম নবীনগর সাংবাদিক সমিতির আত্মপ্রকাশ, সভাপতি কাউছার, সম্পাদক মেহেদী নবীনগরে নৌকার প্রার্থী ফয়জুর রহমান বাদলকে নির্বাচিত করার লক্ষ্যে পরামর্শ সভা অনুষ্ঠিত নবীনগরে যথাযথ মর্যাদায় বিশ্ব শিক্ষক দিবস উদযাপন। নবীনগরে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্থ ব্যবসায়ীকে আর্থিক সহায়তা প্রদান। সূর্যতরুন সমাজ কল্যাণ সংস্থা’র গুণীজন ও কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা গুণীদের কদর না করলে কখনোই সমাজে গুণীরা তৈরি হয় না:ব্যারিস্টার মোস্তাকিম রাজা চৌধুরী বর্তমান সময়ে লেখাপড়ার কোনো বিকল্প নাই:সাংসদ এবাদুল করিম বুলবুল।
শনিবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ১০:৪৭ পূর্বাহ্ন

আখাউড়ায় ডাক্তারের ভুল চিকিৎসায় প্রসূতি মা ও শিশু মৃত্যুর অভিযোগ

প্রতিনিধির নাম / ৫৪২ বার
আপডেট : শুক্রবার, ৫ মে, ২০২৩

জুয়েল মিয়া, ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি-

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ডাক্তারের ভুল চিকিৎসায় শাহিদা আক্তার খুকি (২৩) নামের এক প্রসূতি মা ও তার নবজাতক শিশুর মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। শুক্রবার (৫ মে) বেলা সাড়ে ১২টার দিকে আখাউড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নর্মাল ডেলিভারির সময় এ ঘটনা ঘটে। এর আগে সকালের দিকে প্রসূতির প্রসব ব্যথা হলে নরমাল ডেলিভারির জন্য আখাউড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এ ভর্তি করানো হয়।নিহত প্রসূতি আখাউড়া পৌরসভার মসজিদপাড়ার বাসিন্দা ও কসবা উপজেলার ধর্জয়নগর এলাকার কুয়েত প্রবাসী শাহীন মিয়ার স্ত্রী।
চিকিৎসকের অবহেলায় নবজাতকসহ মায়ের মৃত্যু হয়েছে বলে নিহত প্রসূতি পরিবারের স্বজনেরা অভিযোগ করে জানান, বেলা সাড়ে ১২টার দিকে মিডওয়াইফ আমেনা আক্তার সুমনার মাধ্যমে একটি ছেলে সন্তানের জন্ম হয়। নবজাতক জন্মের পর প্রচুর ব্লিডিং হয় এবং ব্লিডিং বন্ধ না হওয়ায় ও নবজাতকের শ্বাস প্রশ্বাসে কষ্ট হওয়ায় কর্তব্যরত মেডিক্যাল অফিসার গোলাম মোস্তফা উন্নত চিকিৎসার জন্য তাদেরকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালে রেফার করেন। পরে আত্মীয়-স্বজন প্রসূতি ও নবজাতক শিশুটিকে সদর হাসপাতালে না নিয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া নবজাতক হাসপাতালে নিয়ে যান। নবজাতক হাসপাতালের কর্তব্যরত ডাক্তার হাসপাতালে ভর্তির পূর্বেই প্রসূতিকে দেখেই মৃত্যুবরণ করেছে বলে জানান। পরবর্তীতে তাদেরকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালে যান। সদর হাসপাতালের কর্তব্যরত ডাক্তার তাদেরকে দুপুর একটার সময় মৃত ঘোষণা কজুরেন।

নিহতের বোন মাহমুদা বেগম জানান, ডাক্তার ও চিকিৎসকের অবহেলার কারণে আমার বোন ও বাচ্চার মৃত্যু হয়েছে। আমরা তাদের বিচার চাই।
নিহতের চাচা বলেন, ডাক্তাররা সম্পূর্ণ আশ্বস্ত করেছে তারা ডেলিভারি করতে পারবে৷ আমার ভাবি ও ভাতিজি বলছে আপনারা না পারলে বলেন আমরা এখানে পরামর্শ করতে আসছি, ডেলিভারি করতে নয়। প্রসূতির বাচ্চা প্রসবের পর প্রচুর ব্ল্যাডিং অবস্থায় সেলাই ও চিকিৎসা না করেই ব্রাহ্মণবাড়িয়া নিয়ে যেতে বলে। রোগীর সাথে তারা খুব অসৎ আচরণ করেছে। রোগী মারা যাওয়ার এক ঘন্টা পর বাচ্চাটাও মারা গেছে।তারা অবহেলা করেছে এবং টাকা ছাড়া এখানে কিছু হয়না। এখানে যেকোনো কাজ করতে গেলে টাকা লাগে, নার্সরা টাকা চায়৷ টাকা ছাড়া রোগীকে সেবা দেয়না, ছাড়তে চায় না।

আখাউড়া উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাক্তার মো. হিমেল খান জানান, আমি চিকিৎসকের সাথে কথা বলে জেনেছি রোগীর অবস্থা ভালোই ছিলো এবং আমরা স্বাভাবিক ভাবেই নরমাল ডেলিভারি করেছি। এক পর্যায়ে তার ব্লেডিং শুরু হলে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় রেফার করা হয়। চিকিৎসকের অবহেলায় মারা যায়নি। আমি এই হাসপাতালে আসার পর থেকে গত একছরে ৩/৪শত প্রসূতির নরমাল ডেলিভারি হয়েছে। এখানে প্রতিমাসে ৩০-৩৫টি নরমাল ডেলিভারি হয়ে থাকে। তাদেরকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সদরে রেফার করেছি কিন্তু তারা প্রাইভেট একটি হাসপাতালে ভর্তি নেন। তারপরও চিকিৎসকের যদি কোন ভুল থাকে তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Facebook Comments Box


এ জাতীয় আরো সংবাদ