শিরোনাম :
নবীনগর বাজারের উপর দিয়ে রাস্তা নির্মাণ না করার দাবিতে ও স্মারকলিপি প্রদান নবীনগরে ঐতিহ্যবাহী গ্রামীণ লাঠি খেলা দেখতে দর্শকদের উপচেপড়া ভিড়। নবীনগর উপজেলা শাখা সাংবাদিক কল্যাণ পরিষদ (বাসকপ) আংশিক কমিটি ঘোষণা ব্রাহ্মণবাড়িয়া সাংবাদিক সমিতির সভাপতি জুয়েল, সাধারণ সম্পাদক মাসুম নবীনগর সাংবাদিক সমিতির আত্মপ্রকাশ, সভাপতি কাউছার, সম্পাদক মেহেদী নবীনগরে নৌকার প্রার্থী ফয়জুর রহমান বাদলকে নির্বাচিত করার লক্ষ্যে পরামর্শ সভা অনুষ্ঠিত নবীনগরে যথাযথ মর্যাদায় বিশ্ব শিক্ষক দিবস উদযাপন। নবীনগরে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্থ ব্যবসায়ীকে আর্থিক সহায়তা প্রদান। সূর্যতরুন সমাজ কল্যাণ সংস্থা’র গুণীজন ও কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা গুণীদের কদর না করলে কখনোই সমাজে গুণীরা তৈরি হয় না:ব্যারিস্টার মোস্তাকিম রাজা চৌধুরী বর্তমান সময়ে লেখাপড়ার কোনো বিকল্প নাই:সাংসদ এবাদুল করিম বুলবুল।
শনিবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ০২:৫৮ পূর্বাহ্ন

প্যারালাইসিস রোগে আক্রান্ত স্বামী,রাজ মিস্ত্রী কাজ করে সংসারের হাল ধরলেন স্ত্রী।

প্রতিনিধির নাম / ৫৭৩ বার
আপডেট : বৃহস্পতিবার, ৪ মে, ২০২৩

মমিনুল হক রুবেল,স্টাফ রিপোর্টার

ব্রাহ্মণবাড়িয়া নবীনগর উপজেলা শিবপুর ইউনিয়ন শিবপুর গ্রামের মোঃ কামাল মিয়া দীর্ঘ ৯ বছর ধরে প্যারালাইসিস রোগে আক্রান্ত।স্বামী অসুস্থ হওয়ার পর রাজ মিস্ত্রী কাজ করে সংসারের হাল ধরলেন স্ত্রী লিপি বেগম।

স্থানীয় লোকেরা বলেন,মোঃ কামাল হোসেন সুস্থ্য সবল ছিলেন। আজ থেকে নয় বছর পূর্বে প রোগে আক্রান্ত হয়ে স্বাভাবিক ভাবে চলতে পারে না।এক বছর চিকিৎসা করানোর পর অর্থের অভাবে আর চিকিৎসা করাতে পারেনি তার পরিবার।কামাল হোসেন এর দুই মেয়ে।স্ত্রী লিপি বেগম রাজমিস্ত্রী কাজ করে দুই মেয়ে ও স্বামী কে নিয়ে সংসারের হাল ধরলেন।এক মেয়ে কে বিয়ে দিয়েছে আশেপাশের বৃত্তভানদের সহযোগিতায়।রাজ মিস্ত্রী কাজ করে যে টাকা উপার্জন করে তা দিয়ে সংসার চালিয়ে স্বামীর চিকিৎসা করা সম্ভব হচ্ছে না।সমাজের বৃত্তভান ব্যাক্তিরা পরিবারটির পাশে দাড়াঁনোর জন্য আহবান করছি।

কামাল হোসেন এর স্ত্রী লিপি বেগম বলেন,আমার পরিবারের এক মাত্র ভরসা ছিল আমার স্বামী।প্রতিদিন যে টাকা উপার্জন করত তা দিয়ে আমাদের সংসার চলত। ৯ বছর পূর্বে হঠাৎ আমার স্বামী প্যারালাইসিস রোগে আক্রান্ত হয়।এর পর থেকে কথা বলতে পারে না,স্বাভাবিক ভাবে চলাচল করতে পারে না।এক বছর চিকিৎসা করানোর পর আর চিকিৎসা করাতে পারি নাই অর্থের অভাবে।আমার স্বামী অসুস্থ হওয়ার পর পরিবারের হাল ধরার মত কেউ ছিলনা,আমি রাজ মিস্ত্রী কাজ করে সংসার এর হাল ধরেছি।আশেপাশের লোকদের সহযোগিতায় এক টি মেয়ে বিবাহ দেয়।বর্তমানে রাজ মিস্ত্রী কাজ করে যে টাকা উপার্জন করি তা দিয়ে কোন রকমে সংসার চলে,তাই আমার স্বামীর চিকিৎসা করাতে পারছিনা।সমাজের বৃত্তভান ব্যাক্তি সহ সরকারের কাছ থেকে আমার পরিবারের জন্য সহযোগিতা কামনা করছি।

Facebook Comments Box


এ জাতীয় আরো সংবাদ