শিরোনাম :
নবীনগর বাজারের উপর দিয়ে রাস্তা নির্মাণ না করার দাবিতে ও স্মারকলিপি প্রদান নবীনগরে ঐতিহ্যবাহী গ্রামীণ লাঠি খেলা দেখতে দর্শকদের উপচেপড়া ভিড়। নবীনগর উপজেলা শাখা সাংবাদিক কল্যাণ পরিষদ (বাসকপ) আংশিক কমিটি ঘোষণা ব্রাহ্মণবাড়িয়া সাংবাদিক সমিতির সভাপতি জুয়েল, সাধারণ সম্পাদক মাসুম নবীনগর সাংবাদিক সমিতির আত্মপ্রকাশ, সভাপতি কাউছার, সম্পাদক মেহেদী নবীনগরে নৌকার প্রার্থী ফয়জুর রহমান বাদলকে নির্বাচিত করার লক্ষ্যে পরামর্শ সভা অনুষ্ঠিত নবীনগরে যথাযথ মর্যাদায় বিশ্ব শিক্ষক দিবস উদযাপন। নবীনগরে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্থ ব্যবসায়ীকে আর্থিক সহায়তা প্রদান। সূর্যতরুন সমাজ কল্যাণ সংস্থা’র গুণীজন ও কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা গুণীদের কদর না করলে কখনোই সমাজে গুণীরা তৈরি হয় না:ব্যারিস্টার মোস্তাকিম রাজা চৌধুরী বর্তমান সময়ে লেখাপড়ার কোনো বিকল্প নাই:সাংসদ এবাদুল করিম বুলবুল।
শনিবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ০২:৫৮ পূর্বাহ্ন

গাছ নিয়ে দ্বন্দ্ব, চারজনকে কুপিয়ে জখম

প্রতিনিধির নাম / ৬০৬ বার
আপডেট : বুধবার, ৩ মে, ২০২৩

জুয়েল মিয়া, ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় গাছ কাটা নিয়ে দ্বন্দ্বের জের ধরে দেশীয় অস্ত্র দিয়ে চারজনকে কুপিয়ে জখম করার অভিযোগ উঠেছে। গত ২৪শে এপ্রিল রাত সাড়ে নয় ঘটিকার সময় আখাউড়া উপজেলার মনিয়ন্দ ইউনিয়নের শিবনগর গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। ওই ঘটনার বিচার চেয়ে শিবনগর গ্রামের ইমাম হোসেন(৬০) এর স্ত্রী আম্বিয়া আক্তার (৪০) বাদী হয়ে থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন৷ হামলায় ইমাম হোসেন ও তার স্ত্রী আম্বিয়া আক্তার, মেয়ে জান্নাত আক্তার (১৭) ও ছেলে আবু বক্কর( ২২) সহ মোট চারজন আহত হয়। আখাউড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হয়ে চিকিৎসারত অবস্থায় সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, আহতদের মাথা, হাতে, পায়ে কুপিয়ে জখম করায় অনেকগুলো সেলাই করে চিকিৎসক। আহতদের কাপড়ে রক্তের দাগ ছিল স্পষ্ট।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সীমানা ঘেঁষা গাছ কাটা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে ইমাম হোসেনের সাথে তার প্রতিবেশী বজলু সরকারের দ্বন্দ্ব চলছিল। স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও সাহেব-সর্দারগণ সালিশে উভয়পক্ষের লোকজনকে সীনানা ঘেঁষা গাছ কেটে ফেলার নির্দেশ দেয়। গাছ কাঁটা নিয়ে রাত সাড়ে নয়টার সময় স্থানীয় ইউপি সদস্য রফিকুল ইসলাম সবুজের উপস্থিতিতে বজলু সরকার ও তার স্ত্রী এবং বজলু সরকারের চার ছেলে রিপন(৪৩), শিপন (৪৭), রিমন (৪১) ও আশরাফুল (২৩) সহ অজ্ঞাতনামা আরও ৪/৫ জন ইমাম হোসেনের বাড়িতে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা চালিয়ে তাদেরকে পিটিয়ে ও কুপিয়ে রক্তাক্ত করে। পরে ইমাম হোসেন ও তার পরিবারের লোকজন আরেক প্রতিবেশীর বাড়িতে আশ্রয় নিয়ে প্রাণে বাঁচে। এবিষয়ে ইমাম হোসেন ও তার পরিবারের লোকজন জানান, গাছের ডালপালা ও পাতা পরস্পরের বাড়ির সীমানায় পড়ার কারনে প্রায় সময় তাদের মধ্যে ঝগড়া বিবাদ হতো। ফলে স্থানীয়দের মধ্যস্থতায় উভয় পক্ষের মধ্যে সালিশ বৈঠক হয়। বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী উভয় পক্ষই যার যার সীমানার গাছ কেটে ফেলে। একটি বেল ও আম গাছ কাটা হয়নি। ঘটনার দিন বজলু সরকার ও তার লোকজন দলবল নিয়ে ধারালো দা, লোহার রড, কুড়াল ও লাঠি নিয়ে প্রবেশ করে ওই গাছ দুটি কাটতে থাকে। বাধা দেওয়ায় ইমাম হোসেন ও তার পরিবারের লোকজনকে পিটিয়ে ও কুপিয়ে রক্তাক্ত করে।

এবিষয়ে স্থানীয় ইউপি সদস রফিকুল ইসলাম সবুজ বলেন, এক বছর আগে সালিশে সিদ্ধান্ত হয় বাড়ির সীমানার ৫ ফুট দুরত্বের মধ্যে উভয়পাশের মালিকানাধীন সকল গাছ কেটে ফেলতে হবে। একটি আম ও বেল গাছ ছাড়া বাঁকি সকল গাছ তখন কাটা হয়েছিল ৷ এই দুটি গাছ কাটা নিয়েই কিছুদিন আগে তাদের দুইপক্ষের মারামারি হয়। বজলু সরকারের পরিবারের ১জন আহত হয়। ইমাম হোসেনের পরিবারের লোকজনও আহত হয়। স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান সহ গণ্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে সালিশের মাধ্যমে এই ঘটনার সুষ্ঠু বিচার করার চেষ্টা চলছে।

Facebook Comments Box


এ জাতীয় আরো সংবাদ